**জিয়াউর রহমান জিয়া।
**ঢাকা ডিভিশনাল প্রেসক্লাবের ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের আলোচনা সভায় সংগঠনের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সভাপতির পায়ের খরচ এবং আসন্ন ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভায় ক্লাবের সদস্যরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
এই আলোচনায় প্রথমে মাসিক চাঁদা (মসিকচাদা) বিষয়টি উঠে আসে। সদস্যরা জানান, ক্লাবের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা, অফিস ভাড়া, ইউটিলিটি বিল এবং বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্ব পালনের জন্য মাসিক চাঁদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে অনেক সদস্যের চাঁদা বকেয়া রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় যে, চাঁদা আদায়ের প্রক্রিয়াকে আরও সুসংগঠিত করা হবে। সদস্যরা মনে করেন, নিয়মিত চাঁদা প্রদান সংগঠনের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
এরপর সভাপতির পায়ের খরচ নিয়ে আলোচনা হয়।
সভাপতি দীর্ঘদিন ধরে বাম পায়ের সমস্যায় ভুগছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন, সভা-সেমিনারে যাতায়াত এবং ক্লাবের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সদস্যরা মনে করেন, আধুনিক ও আরামদায়ক কৃত্রিম পা লাগাতে পারলে সভাপতি আরও স্বাচ্ছন্দ্যে সংগঠনের কাজ পরিচালনা করতে পারবেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত জীবনমানও উন্নত হবে।
আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় যে, ক্লাবের তহবিল থেকে আংশিক খরচ বহন করা হবে। বাকি অর্থ সদস্যদের স্বেচ্ছা চাঁদা এবং সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় সংগ্রহ করা হবে।
সভার অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয় ছিল আসন্ন ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। সদস্যরা মনে করেন, ঈদ উপলক্ষে এই পুনর্মিলনী সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করবে। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় যে, অনুষ্ঠানটি সাদামাটা ও আন্তরিক পরিবেশে ঈদুল যাবার পর আয়োজন করা হবে।
সভায় আরও আলোচিত হয় যে, ঢাকা ডিভিশনাল প্রেসক্লাব শুধু একটি সংগঠন নয়, বরং সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, কল্যাণ ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের একটি প্ল্যাটফর্ম। মাসিক চাঁদা, সভাপতির পায়ের খরচ এবং ঈদ পুনর্মিলনীর মতো বিষয়গুলো সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে। সভাপতি সকল সদস্যকে নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং সহযোগিতার আহ্বান জানান।
সভাটি সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়। সকলে মিলে ঢাকা ডিভিশনাল প্রেসক্লাবকে একটি মর্যাদাপূর্ণ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।